প্রকাশনার ১০ বছর

৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

২৬ লক্ষ ঘনফুট সাদাপাথর উদ্ধার, ১১ লক্ষ ঘনফুট প্রতিস্থাপন

দৈনিক জনপদ
প্রকাশিত ২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার, ২০২৫ ১৯:৫৬:৫১
২৬ লক্ষ ঘনফুট সাদাপাথর উদ্ধার, ১১ লক্ষ ঘনফুট প্রতিস্থাপন

সিলেটের সাদাপাথরের লুট হওয়া পাথর স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিতে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের বেঁধে দেওয়া তিনদিনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আজ (মঙ্গলবার)।

এই সময়ে মোট ২৬ লক্ষ ঘনফুট পাথর উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। যার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ ঘনফুট পাথর লোকজন স্বেচ্ছায় জমা দিয়েছেন। বাকী প্রায় ১৯ লক্ষ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে।

আল্টিমেটামের শেষ দিনে মঙ্গলবার বিকেলে সাদাপাথর পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। পরিদর্শন ষেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, আজকের পর থেকে যাদের কাছে লুটের পাথর পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাল (বুধবার) সকাল থেকেই এই অভিযান শুরু হবে।

সাদা পাথর পুণঃস্থাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা অনেক কঠিন কাজ। এখন পর্যন্ত ১১ লক্ষ ঘনফুট পাথর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে বাকী পাথর পুণঃস্থাপন করা হবে। তিনি জানান, এ কাজে প্রতিদিন ৫০০ শ্রমিক, ৪০০ নৌকা, ৩০০ এর অধিক ট্র্রাক কাজ করছে।

সব পাথর পুণঃস্থাপন করা গেলে সাদাপাথরের সৌন্দর্য অনেকটা ফিরে আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে প্রাকৃতিকভাবে যেরকম পাথর বিছানো থাকে ঠিক সেরকম তো পুণঃস্থাপন করা সম্ভব হবে না, তবু আমরা চেষ্টা করছি।

কী পরিমান পাথর লুট হয়েছিলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে আমার ধারণা আরও অন্তত ৩০ শতাংশ লুট হওয়া পাথর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এগুলো নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে। বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পাথর পুণঃস্থাপনের পাশাপাশি আইনী কার্যক্রমও চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা পাথর লুট করেছে তাদের অবশ্যই গ্রেপ্তার করা হবে। তবে যারা নীরিহ ও নিরাপরাধ তারা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অপরাধীদের নাম প্রকাশ করা হলে তারা পালিয়ে যাবে। তাই আমরা নাম প্রকাশ করছি না। তবে প্রকৃত দোষী আইনের আওতায় আসবে। পাথর উত্তোলনে কয়েক হাজার লোকজন জড়িত ছিলো। তবে যারা এতে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

লুটের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিপোর্ট সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেরণ করা হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও কাজ করছে। তাদের রিপোর্ট দেওয়ার পর দুটি প্রতিবেদন একসাথে কাজ করা হবে।