পৌর মেয়র আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছড়ানো হচ্ছে মিথ্যা সংবাদ, বুনা হচ্ছে ষড়যন্ত্রের জাল

পৌর মেয়র আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছড়ানো হচ্ছে মিথ্যা সংবাদ, বুনা হচ্ছে ষড়যন্ত্রের জাল

Rubel Rubel

Hossain

প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০২২
স্টাফ রিপোর্টারঃ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই দেশ আজ তারই সুযোগ্য কন্যার হাত ধরে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
সেই বঙ্গবন্ধুর কান্যার  হাত ধরে নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌরসভাকে একটি সম্বৃদ্ধ ও আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়তে চায় বর্তমান পৌর মেয়র মোঃ আলা উদ্দিন।
কিন্তু তার এই কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি কুচক্রী মহল। মেয়র আলা উদ্দিনকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে মিথ্যা সংবাদ, বুনা হচ্ছে ষড়যন্ত্রের জাল।
গত (১০ই মার্চ) বেসরকারী টেলিভিশন সময় টিভির অনলাইন পোর্টাল সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে “সোমেশ্বরীর বালুতে সাংবাদিক কে পুঁতে ফেলার হুমকি মেয়রের এই শিরোনামে প্রকাশ সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
পৌর মেয়র আলা উদ্দিন বলেন, আমি দুর্গাপুরের একটি অভিজাত মুসলিম পরিবারের সন্তান। আমার পিতা মরহুম আলী হোসেন। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিন যাবৎ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার  বাহিনী কর্তৃক আমার  পিতা আলী হোসেন শহীদ হন। আমার রাজনৈতিক শিক্ষা পরিবার  থেকেই। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার পরিবারের সব কিছু খোঁজ খবর নিয়েই আমাকে দুর্গাপুর  পৌরসভার  মেয়র হিসেবে যোগ্য মনে করে দলীয় মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন।
তেমনি জনগণ আমাকে বিপুল ভোট প্রদান করে  মেয়র নির্বাচিত করেন তার প্রমান দিয়ে দিয়েছেন। প্রায় ১ বছরের অধিক সময় যথেষ্ঠ সচ্ছতার  সাথে জনগণের সেবা করে আসছি।
আমি দুর্গাপুরের  একজন ব্যবসায়ী। এই ব্যবসার অর্জিত টাকা থেকে  আমার এলাকার বহু ধর্মীয়  প্রতিষ্ঠান,  অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা,  গরীব শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা,  চিকিৎসা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে আমার সাধ্যমত সাহায্য করেছি। বিশেষ করে  করোনা মহামারির সময় আমি পৌরসভার প্রত্যেকটি কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি এবং বর্তমানেও করে যাচ্ছি।
সম্প্রতি সময়ে সাংবাদিক রিফাত আহমেদ রাসেল দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরীবাজার ঘাট এলাকায় বালুর ট্রাক প্রতি ৫শ টাকা করে চাঁদা দাবী করে। এই ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয় তার প্রতি।
সাংবাদিক রাসেলের বাবা রফিকুল ইসলাম ২ নং বালু মহলের অংশীদার এবং আমার প্রতিবেশী। তার ছোট ভাই সোহেল দীর্ঘদিন ধরে আমার নিজস্ব ফার্মে চাকুরী করেন।
এরেই সুবাদে রাসেল আমার প্রতিবেশী ভাতিজা হওয়ায় তাকে আমার বাসায় খবর দিয়ে এনে ধমক দেই। চাঁদা দাবীর বিষয়টি মীমাংসা করে দেই। কিন্তু আমার প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ওই মীমাংসার সময়ে আলোচনার বিষয়টি আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মুঠোফোনে অডিও রেকর্ড ধারণ করে কার্ডধারী সাংবাদিক রিফাত আহমেদ রাসেল।
তার বাবা ও ভাই বালু মহলের সাথে সম্পৃক্ত থাকা শর্তেও সাংবাদিক রাসেলের বালু ট্রাক প্রতি ৫শ করে টাকা অনৈতিক ভাবে দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায়। সাংবাদিক রাসেল এবং একটি কুচক্রী মহল আমার এই ধমক ও বকাঝকা’কে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে। এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও গল্পকাহিনী নিয়ে উদ্ভট একটি সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি অপকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল।
এমনকি জেলার কতিপয় কিছু সংবাদকর্মীদের দিয়ে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমার প্রতিপক্ষদের ইন্ধনের সাথে আঁতাত করে রিফাত আহমেদ রাসেল আমার সম্পর্কে  এরকম উদ্ভট, বানোয়াট, গল্পকাহিনীর সংবাদ প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছে।
আমি সহ আমার স্ত্রী কে জড়িয়ে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।